১৫ দিনে ৫ কেজি ওজন কমানোর উপায়

১৫ দিনে ৫ কেজি ওজন কমানোর উপায় 

কমানোর (Weight loss) ক্ষেত্রে নিয়মিত ব্যায়াম করা জরুরি। বেশিরভাগ নারীই ঘর-সংসারের কাজে এতটাই ব্যস্ত থাকেন যে আলাদা করে ওয়ার্কআউট বা ব্যায়ামের সময় পান না। বিশেষজ্ঞদের মতে, ওজন বৃদ্ধির আসল কারণ ভুল খাদ্যাভ্যাস এবং সঠিক সময়ে ব্যায়াম না করা।

দেহের বাড়তি ওজন কমাতে এমন খাবার ডায়েটে রাখতে হবে যা শরীর থেকে টক্সিক পদার্থ বের করে দেবে। একইসঙ্গে সঠিক পরিমাণে ফাইবার এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করতে হবে।

এমনই একটি ডায়েট চার্ট নিচে দেওয়া হলো। এটি অক্ষরে অক্ষরে মেনে চললে ওজন কমানো যাবে। পাশাপাশি ওজন থাকবে নিয়ন্ত্রণে।

ভোরবেলা

সকালে ঘুম থেকে উঠে দিন শুরু করুন আদার কিংবা মৌরির পানি পান করে। আদার পানি শরীরের চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে। দেহের ওজন এবং পেটের চর্বি কমাতে এর উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে। সকালে এক গ্লাস ঈষদুষ্ণ গরম পানিতে সামান্য আদা মিশিয়ে খালি পেটে খেতে হবে। মৌরির জলও খেতে পারেন। এটি পরিপাকতন্ত্রকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি ওজন কমাতে সাহায্য করে।

দ্রুত ওজন কমানোর ম্যাজিক

সকাল আটটার মধ্যে প্রাতরাশ সকালের নাশতা আটটার মধ্যে শেষ করবেন। ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় ওজন কমানোর জন্য চিঁড়া একটি দুর্দান্ত ব্রেকফাস্ট। ফাইবার অন্ত্রের জন্য দুর্দান্ত। এটি দীর্ঘ সময়ের জন্য পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এর সঙ্গে ভরপুর প্রোটিন পেতে খাবারে ৫০ গ্রাম পনির এবং হলুদ দেওয়া দুধ খেতে হবে। প্রতিদিন এই রুটিন একঘেয়ে লাগতে পারে। বিকল্প হিসেবে খেতে পারেন এক বাটি মিক্সড ফ্রুট এবং হলুদ দুধ।

মিড মর্নিং স্ন্যাক্স

সকাল ১১টায় সূর্যমুখীর বীজ এবং এক গ্লাস ডাবের পানি রাখুন খাদ্যতালিকায়। ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ার সূর্যমুখী বীজ দীর্ঘ সময় পেট পরিপূর্ণ রাখে। অন্যদিকে, ডাবের পানি শরীর হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করবে।

দুপুর ১টার মধ্যে দুপুরের খাবার

বাদামি চালের ভাতের সঙ্গে মুসুর ডাল দিয়ে দুপুরের টেবিল সাজান। এর সঙ্গে রাখুন সালাদ। একঘেয়ে লাগলে পনির ভুর্জির সঙ্গে একটা রুটি নেওয়া যায়। বাদামি চাল ফাইবার সমৃদ্ধ গোটা শস্য। এটি ওজন ও পেটের চর্বি কমাতে সহায়ক।

বিকেলে এক গ্লাস ঘোল

প্রতিদিন বিকেল ৪টায় এক গ্লাস ঘোল পান করুন। ঘোল প্রোটিন, ভিটামিন এবং বেশ কিছু খনিজ সমৃদ্ধ। এতে ক্যালোরি ও চর্বির পরিমাণ কম থাকে। এটি দেহ হাইড্রেটেড রাখতে এবং এনার্জি যোগাতে সাহায্য করবে। যারা ওজন কমাতে চান তাঁদের জন্য ঘোল আদর্শ পানীয়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, প্রতিদিন অল্প পরিমাণে ঘোল উচ্চ কোলেস্টেরলের মাত্রাযুক্ত ব্যক্তিদের কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

সন্ধ্যা ৭টায় রাতের খাবার

ওজন কমাতে চাইলে সন্ধ্যা ৭টার দিকের রাতের খাবার খেয়ে ফেলুন। এরপর আর কিছু খাবেন না। খাবার তালিকায় রাখুন স্যুপ। এটি সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যকর এবং ওজন কমানোর জন্য দুর্দান্ত। ভেজিটেবল স্যুপের পাশাপাশি ক্লিয়ার স্যুপ, চিকেন স্যুপ ইত্যাদিও ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করা যায়। সবজির স্যুপও হজমশক্তি ঠিক রাখতেও সাহায্য করে।

রাতে ঘুমানোর আগে এক কাপ মশলা চা বা গ্রিন টি পান করুন। ব্যাস, ওজন কমে যাবে দ্রুত।

Read More

কুরবানির মাংস বন্টন করার নিয়ম